খুলনা, বাংলাদেশ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আশাশুনির প্লাবিত এলাকায় জরুরি ত্রাণ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে আকস্মিক প্লাবনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্দি মানুষদের কাছে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে নৌবাহিনী, বিভাগীয় কমিশনার, কোষ্ট গার্ড ও জামায়াত। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পানিবন্দী এসব মানুষের মাঝে জরুরী ত্রাণ সমাগ্রী পৌছে দেয়া হয়।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগে আজ বিছট গ্রামস্থ আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফিরোজ সরকার প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

এদিকে খুলনা নৌ অঙ্গলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনীর ত্রাণ ও মেডিকেল দল নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচশো পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা, চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জরুরী এসব খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, চিনি, বিশুদ্ধ পানি, বিশুদ্ধ পানির অ্যারিকেন, ঔষধ, খাবার স্যালাইন, বিভিন্ন রকম শুকনো খাবার, মোমবাতি, দিয়াশলাই ইত্যাদি। আশাশুনির এ দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নৌবাহিনী ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এদিন, বাংলাদেশ কোষ্ট গার্ড পশ্চিম জোনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাঙনকবলিত বিছট ও নয়াখালী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারের মধ্যে জরুরী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সাথে প্লাবিত এলাকার ১০০’শ নারীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। একইভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আনুলিয়া ইউনিয়ন শাখার পক্ষ থেকে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ নয়াখালী গ্রামের পরিবারগুলোর মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়। আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আলী মোর্তাজার নেতৃত্বে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এসময় আনুলিয়া ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ সোমবার সকালে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট গ্রামে খোলপেটুয়া নদীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়। আকস্মিক এই প্লাবনে সহস্রাধিক মৎস ঘের ও বোরো ধানের খেতসহ বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে বহু মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দুর্বিষহ জীবন অতিবাহিত করছে।

খুলনা গেজেট/জেএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© 2020 khulnagazette all rights reserved

Developed By: Khulna IT, 01711903692

Don`t copy text!